1. [email protected] : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. [email protected] : admin : admin
  3. [email protected] : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  4. [email protected] : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  5. [email protected] : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  6. [email protected] : Imran Khan : Imran Khan
  7. [email protected] : Juwel Rana : Juwel Rana
  8. [email protected] : Md. Mahbubur Rahman : Md. Mahbubur Rahman
  9. [email protected] : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  10. [email protected] : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  11. [email protected] : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  12. [email protected] : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  13. [email protected] : Nusrum Rashid : Nusrum Rashid
  14. [email protected] : Md. Rakibul Islam : Md. Rakibul Islam
  15. [email protected] : Rasel Mia : Rasel Mia
  16. [email protected] : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  17. [email protected] : Md. Sabbir Ahamed : Md. Sabbir Ahamed
  18. [email protected] : Abdus Salam : Abdus Salam
  19. [email protected] : Shariful Islam : Shariful Islam
  20. [email protected] : Md. Solaman : Md. Solaman
  21. [email protected] : BN Support : BN Support
  22. [email protected] : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  23. [email protected] : Aftab Wafy : Aftab Wafy
একটি ব্যর্থ বিশ্বকাপ মিশন ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো আর না বলা কিছু কথা - BDTone24.com
সোমবার, ০৮:২৬ অপরাহ্ন, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ইং, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বাংলা

একটি ব্যর্থ বিশ্বকাপ মিশন ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো আর না বলা কিছু কথা

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
  • সময় সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১

জাতীয় দল আজও চলছে ২০০৫ এ অভিষেক হওয়া মুশফিকুর রহিম,২০০৬ এ অভিষেক হওয়া সাকিব আল হাসান,তামিম ইকবাল কিংবা ২০০৭ এ অভিষেক হওয়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের উপর ভর করে, এই খেলোয়াড়দের আগে পরে ফরহাদ রেজা,সাব্বির রহমান,নাসির হোসেন,এনামুল বিজয়,নাঈম ইসলাম,জুনায়েদ সিদ্দিকী,আরিফুল হক,মেহেদী মারুফ থেকে হালের সৌম্য,লিটন,আফিফ,আমিনুল বিপ্লব,শামীম পাটোয়ারী অনেক ক্রিকেটারদের অভিষেক হয়েছে জাতীয় দলে, কিন্তু এদের কেউ-ই দলে পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের জায়গা পোক্ত করতে পারেন নি।

অভিযোগ আছে,জাতীয় দল থেকে কোন খেলোয়াড় বাদ পড়লে এ দল,ঘরোয়া লিগ খেলে যে পুনরায় নিজেকে জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত করবেন বাংলাদেশে সেই সুযোগটা নেই। বিসিবির একাউন্টে ৯০০ কোটি টাকা আছে,অথচ ঢাকার বাহিরে জেলা শহরগুলো তো দূরের কথা,বিভাগীয় শহরগুলোতেও উঠতি খেলোয়াড় কিংবা জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া খেলোয়াড়দের অনুশীলন করার পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা নেই।

এ দলের কার্যক্রম একরকম স্থবির, একটা সময় বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট খেলা পেস বোলার কাজী কামরুল রাব্বি,শুভাশিস রায় চৌধুরী,আবুল হাসান রাজুরা আজ ঘরোয়া লিগ,এ দলের পর্যাপ্ত পরিচর্যা না থাকায় একেকজন বিস্মৃত নামে পরিণত হয়েছেন।নিয়মিত জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলা আবু জায়েদ রাহী,খালেদ আহমেদ,ইবাদত হোসেনদের কোন খোঁজ থাকে না টেস্ট ক্রিকেট না থাকলে।তারা কোথায় খেলছেন,কোথায় প্র‍্যাক্টিস করছেন এসবের হিসেব নেই বিসিবির কাছে।

গতবছর ক্রিকেটারদের আন্দোলনের সময় সাকিব আল হাসান খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন তুলেছিলেন যেটা দেশের এতোগুলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের কেউ-ই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন নি।সাকিব বোর্ড ডিরেক্টর এবং বিসিবি গেম ডেভেলপমেন্টের হেড নাইমুর রহমান দুর্জয়কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন,’দুর্জয় ভাইয়ের এইচপি টিম থেকে গত কয় বছরে বলার মতো কয়টা ক্রিকেটার বেরিয়ে এসেছে জাতীয় দলকে সার্ভিস দেওয়ার মতো’। এই তীর্যক মন্তব্য শুনে দুর্জয় তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন।

কিন্তু আসল সত্যটা সবারই জানা অনূর্ধ্ব ১৯ দল থেকে আসা ক্রিকেটারদের জাতীয় দলের জন্য প্রস্তুত করার মূল দায়িত্বটা থাকে এইচপি টিমের উপর।এই এইচপি টিমই বাংলাদেশের বিদ্যমান ক্রিকেট কাঠামোতে জাতীয় দলের জন্য ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় সরবারহের মূল জায়গা।

গত কয়েক বছরে বলার মতো কয়জন ক্রিকেটার এসেছেন এই এইচপি দল থেকে তারা হচ্ছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব,নাঈম শেখ,নাজমুল হাসান শান্ত,সাইফ হাসান,সাদমান ইসলাম কিংবা হালের শামীম পাটোয়ারী এরা সবাই অনূর্ধ্ব ১৯ হয়ে এইচপি হয়ে জাতীয় দলে ঢুকেছেন। কিন্তু কি দিতে পেরেছে এরা জাতীয় দলকে।

এইচপি টিমে থেকে নিজেদের টেকনিক্যাল দুর্বলতাগুলো কতটুকু পূরণ করে নিজেদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত করতে পেরেছে এরা ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট খেলা সাকিব আল হাসান খুব ভালো করেই আমাদের ক্রিকেট কাঠামোর দুর্বলতা এবং ঘাটতির কথাগুলো জানেন বলেই কথাগুলো বলেছিলেন ওই সময় কিন্তু কেউ-ই গুরুত্ব দেন নি তার ওই কথাগুলোয়।

দশ বছরে বিপিএলকে কাঠামোগতভাবে বিসিবি বস অনেক উন্নত করেছেন সন্দেহ নেই। কিন্তু বিপিএলে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ৫ টা বিদেশি খেলোয়াড় খেলিয়ে উনি টি-টোয়েন্টিতে দেশী তরুণ খেলোয়াড়দের উঠে আসার প্রক্রিয়া এক রকম বন্ধ করে দিয়েছেন।পাশাপাশি ব্রডকাস্টিং খরচ বাচাতে এক মিরপুরে ৬০-৭০% ম্যাচ খেলোনো,বাকি সিলেট,চট্টগ্রামের মধ্যে বিপিএলকে সীমাবদ্ধ রেখে আদতে ক্রিকেটারদের গুণগত মানের পরিবর্তনের কোন সুযোগই দিচ্ছে না বিসিবি।

ঘরোয়া ফার্স্ট ক্লাস লিগ এনসিএলের উন্নতি গত দশ বছরে এক বিন্দুও হয় নি। দশ বছর আগে এনসিএল যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলো এখনো ওখানেই আছে। এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাশাপাশি যে এনসিএল হচ্ছে সেই খবর দেশের অধিকাংশ ক্রিকেটপ্রেমী জানেন না। এনসিএলের মিডিয়া কাভারেজ,প্রচার প্রচারণা,উইকেট,আউটফিল্ডের মান বৃদ্ধি,থাকা খাওয়া,ম্যাচ ফি এসব জায়গায় গত দশ বছরে উন্নতি হয়েছে সামান্যই।

অথচ উন্নতির মূল জায়গা হওয়া উচিৎ ছিলো এই এনসিএল যেখানে গড়ে প্রতি বছর ১২০-১৩০ জন ক্রিকেটার তিনমাস ধরে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটটা খেলেন নিয়মিতভাবে। সেই লিগটা আয়োজন করা হয় একরকম দায়সারাভাবে পিকনিক স্টাইলে।

একটা সময় এনসিএল থেকে প্রতি মৌসুমে ভালো মানের কিছু খেলোয়াড় উঠে আসতো যারা পরবর্তীতে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগে ভালো খেলে জাতীয় দলের আশেপাশে চলে আসতো। সেই ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ,১ম বিভাগ লিগ,২য় বিভাগ লিগ এখন আম্পায়ারিং বিতর্ক,কাউন্সিলরদের মদদপুষ্ট সুনির্দিষ্ট কিছু দলকে জেতাতে পক্ষপাতদুষ্ট নিয়মনীতির কারণে কলঙ্কিত।

১ম বিভাগ,২য় বিভাগ লিগ যেটা নতুন খেলোয়াড় তৈরির মূল জায়গা সেখানে ক্লাবগুলোতে উঠতি তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ পেতে নিতে হচ্ছে নানা রকম অনিয়মের আশ্রয়। এসব লিগে কাউন্সিলরদের ক্লাবগুলোকে জেতাতে আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে নানা রকম ছলচাতুরীর।এর মারপ্যাঁচে পড়ে অঙ্কুরেই মিলিয়ে যাচ্ছেন বহু প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা।

আজকে আফগানিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা আসছে। ওদের রশিদ,নবী,নাজিব,হাশমতুল্লাহ,গুরবাজদের মতো ক্রিকেটাররা উঠে আসছেন। আমাদের ক্রিকেটাররা উঠে আসছেন না। দু’বছর আগে আফগানিস্তান দলের বাংলাদেশ সফরের সময় রশিদ খান বলেছিলেন,ওদের তৃণমূল পর্যায়ে এক ঝাক নিবেদিতপ্রাণ ক্রীড়া সংগঠক কাজ করেন,যাদের কাছে অর্থটা মূল বিষয় নয়,যাদের মূল কাজ তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের উঠিয়ে নিয়ে আসা।

কথাগুলো শুনে আমারও মনে পড়ে গেলো নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশের ক্রিকেটের গল্প। তখন বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের মাঠগুলোতেও এমন নিবেদিতপ্রাণ ক্রিকেট সংগঠকরা ছিলেন,যারা টাকার চিন্তা করতেন না। দেশের আনাচেকানাচে থেকে ক্রিকেটারদের ধরে ধরে নিয়ে নিজ খরচে খেলতে নিয়ে যেতেন ঢাকায়। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশনে ইয়াং পেগাসাস আর সূর্য তরুণ নামের দুইটা ক্লাব ছিলো যারা মূলত তৃণমূল থেকে আসা এসব আনকোড়া খেলোয়াড়দের সুযোগ দিয়ে জাতীয় পর্যায়ের তারকা বানাতো।

আমাদের মাশরাফি মর্তূজা,আফতাব আহমেদ,হান্নান সরকার থেকে হালের মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ,সাব্বির রহমানরা এভাবেই জেলা পর্যায় থেকে উঠে এসেছিলেন জাতীয় পর্যায়ে। কিন্তু গত ১০-১৫ বছরে ক্রিকেটের অতিমাত্রায় কমার্শিয়ালাইজেশন কিংবা এসব পোড়খাওয়া ক্রিকেট সংগঠকদের বারবার অবহেলার কারণে এরা আজ হারিয়ে গিয়েছেন ক্রিকেট মাঠ থেকে। সেই সাথে বন্ধ হয়ে গেছে খেলোয়াড় উঠে আসার প্রক্রিয়াগুলো।

বিসিব আজ ঝা চকচকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান,বোর্ড অফ ডিরেক্টররা সব বড় বড় দামি দামি গাড়িতে চড়ে বিসিবিতে আসছেন,বেশিরভাগই বড় বড় ব্যবসায়ী তৃণমূল থেকে ক্রিকেটটাকে ঢেলে সাজানোর কোন স্বদিচ্ছা কি আদৌ তাদের আছে।

[ বাবুল খান -এর ফেইসবুক থেকে ]

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর : আবেদনকৃত । © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247