1. [email protected] : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. [email protected] : admin : admin
  3. [email protected] : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  4. [email protected] : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  5. [email protected] : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  6. [email protected] : Imran Khan : Imran Khan
  7. [email protected] : Jannatul Ferdous : Jannatul Ferdous
  8. [email protected] : Juwel Rana : Juwel Rana
  9. [email protected] : K M Khalid Shifullah : K M Khalid Shifullah
  10. [email protected] : Md. Mahbubur Rahman : Md. Mahbubur Rahman
  11. [email protected] : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  12. [email protected] : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  13. [email protected] : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  14. [email protected] : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  15. [email protected] : Md. Rakibul Islam : Md. Rakibul Islam
  16. [email protected] : Rasel Mia : Rasel Mia
  17. [email protected] : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  18. [email protected] : Md. Sabbir Ahamed : Md. Sabbir Ahamed
  19. [email protected] : Abdus Salam : Abdus Salam
  20. [email protected] : Shariful Islam : Shariful Islam
  21. [email protected] : BN Support : BN Support
  22. [email protected] : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  23. [email protected] : Aftab Wafy : Aftab Wafy
ভিয়েনা সিটির কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মাহমুদুর রহমান নয়ন - BDTone24.com
মঙ্গলবার, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং, ১১ আশ্বিন ১৪২৯ বাংলা

ভিয়েনা সিটির কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মাহমুদুর রহমান নয়ন

জাহিদুল ইসলাম দুলাল । ভোলা
  • সময় সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
ভিয়েনা সিটির কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত মাহমুদুর রহমান নয়ন

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা , যথাযথ নিয়মতান্ত্রিকতা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ১১ অক্টোবর অস্ট্রিয়ার প্রাণকেন্দ্র ভিয়েনার সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে । এ বৎসর মহামারী করোনার কারনে প্রায় ৩৫% জনগন তাদের ভোট পোস্টের মাধ্যমে প্রয়োগ করেন । বাকিরা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে দেখা যায় । এখানে ১০০% গণতন্ত্র অনুযায়ী ভোট হয়ে থাকে । জনগন নিজেদের পছন্দের পার্টীকে ভোট দিয়ে থাকেন ।পার্টি যাদেরকে সিটি কর্পোরেশনে পাঠাবেন তাদের লিস্ট ভোটের পূর্বেই প্রকাশ করেন । সেই অনুযায়ী মাহমুদুর রহমান নয়ন অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টি (ÖVP) থেকে ৭নং লিস্টে ছিলেন । শতকরা আনুপাতিক হারে পার্টি সিট পাবেন । সেই অনুযায়ী নয়ন এবার নির্বাচিত হলেন । নয়ন কে সমর্থন করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশী সহ সকল কে ধন্যবাদ জানান তিনি ।মাহমুদুর রহমান নয়ন নির্বাচিত হওয়ায় অষ্ট্রিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায় । অনেকেই নয়নের সাথে দেখা করার জন্য ছুটে আসেন । যারা আসতে পারেন নি তারা নয়ন কে ফোনে শুভেচ্ছা জানান ।

মাহমুদুর রহমান নয়ন এর জন্ম ১৯৯৫ সালে ভিয়েনায়। মাত্র ১ বৎসর বয়সে পরিবারের সাথে পাড়ি জমান বাংলাদেশে। ৫ম শ্রেণী অতিক্রম করে চলে আসেন পরিবারের সাথে আবার ভিয়েনায়। বাংলাদেশের এই বিস্ময়কর যুবক অষ্ট্রিয়ায় চলে আসার পর বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। অষ্ট্রিয়ায় আসার পর ভর্তিহন স্থানীয় একটি হাইস্কুলে। এখানের পড়ালেখা করতে হয় জার্মান ভাষায় কিন্তু এই ভাষা তার মোটেও জানা ছিলনা। ক্লাসের অন্যান্য পড়ার সাথে তাকে ভীষণভাবে জার্মান ভাষা আয়ত্ত করতে হয়। ক্রমাগতভাবে তার স্কুলে শুনাম ছড়িয়ে পরে পুরো স্কুলে।হাইস্কুলে যখন ফাইনাল পরীক্ষা হয়,তখন ঐ স্কুলে সে প্রথম স্থান অর্জন করেন। স্কুলের ডিরেক্টর তাকে মডেল হিসেবে ঘোষণা এবং সম্বর্ধনা দেন।

এরপর মাহমুদুর রহমান নয়ন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য ভর্তি হন ভিয়েনার একটি নামকরা Higher Technical College এ (HTL)। এখানে ভর্তি হয়েই কলেজের নানা সমস্যা নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন, চাইতেন কলেজের নিয়ম কানুনের পরিবর্তনের। এক পর্যায়ে প্রতিবাদী ছাত্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেন কলেজে, নেতৃত্ব দেন তরুণদের। সেই সুবাদে কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা তাকে পর পর দুই বার ঐ কলেজের ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। এর পর আর তাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। কলেজের উন্নয়ন এবং ছাত্র ছাত্রীদের নানা বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এক সময় নয়ন অষ্ট্রিয়ার কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।নয়ন ঐ কলেজের ফাইনাল পরীক্ষায় Software Engineering এ অষ্ট্রিয়ান গ্রেড অনুযায়ী Excellent Result করেন।

উচ্চশিক্ষার জন্য নয়ন ব্রিটেনে চলে যান। সেখানে ভর্তি হন University of Central Lancashire(UCLan) Software Engineering Department এ। ব্রিটেনে থাকলেও অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টির যুব ইউনিটের তার সম্পৃক্ততা ছিল বেশ জোরাল । নয়ন B.Sc.Hon`s in Software Engineering এ Frist Class পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তারপর ভর্তি হন নয়ন B.Sc.Hon`s in Software Engineering এ Frist Class পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তারপর ভর্তি হন একই বিশ্ব বিদ্যালয়ে M.Sc তে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ম্যানেজমেন্টে। M.Sc তে ও Frist Class পেয়ে উত্তীর্ণ হন।

এরপর নয়ন ফিরে আসেন ভিয়েনা, চাকরিতে যোগ দেন জার্মানির একটি নাম করা আই টি কোম্পানিতে । সাথে সাথে সক্রিয় হন রাজনীতিতে । নয়ন ভিয়েনার অষ্ট্রিয়ান তরুনদের আরও বেশী পরিমানে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করেন। তরুনদের মাঝে আরও রাজনৈতিক ধারনা বৃদ্ধি করতে তরুন এই রাজনীতিবিদ বিভিন্ন রাজনৈতিক কেম্পেইনে অংশ গ্রহন করেন এবং রাজনীতিতে তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানান ।

প্রবাসে থাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশী বেড়ে ওঠা তরুনদের নিয়ে মাহমুদুর রহমান নয়ন বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশী তরুণরা নিজেদের কমিউনিটিতে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া জরুরী। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তার মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গতানুগতিক রাজনীতির আমুল পরিবর্তন আনতে হবে। বড় বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদগুলিতে তরুণদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। নুতন ব্যবসা এবং চাকুরীর ক্ষেত্রে দুর্নীতি মুক্ত করতে হবে। এছাড়াও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে, তবেই বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,তিন বোন এক ভাইয়ের মধ্যে তিনিই সবার ছোট। তার বাবা অষ্ট্রিয়ায় ১৯৮৪ সালে ভিয়েনা আসেন। বাবা মায়ের অনুপ্রেরোনায় তিনি আজ এ পর্যন্ত এসেছেন।

ভিয়েনা সিটির নবনির্বাচিত কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান নয়নের গর্বিত পিতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি, অস্ট্রিয়া সিনিয়র ক্লাবের সভাপতি, অল ইউরোপিয়ান বাংলা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা, ভোলার লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, শান ফাউন্ডেশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত অনলাইন দৈনিক ইউরো সমাচারের সম্পাদক । তিনি তাঁর সুযোগ্য পুত্র মাহমুদুর রহমান নয়নের এই বিজয় বাংলাদেশের ১৭ কোটি বাঙালি এবং বিশ্বের বাঙলা ভাষাভাষী সকল মানুষের দোয়া ও ভালোবাসার ফসল বলে উল্লেখ করেছেন । মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুর রহমান তাঁর পুত্রের অনন্য অর্জনকে একাত্তরের ৩০ লাখ শহীদ ও দুলাখ মাবোনের সম্ভ্রমের করকমলে উৎসর্গ করেছেন।

 

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর: আবেদনকৃত । © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247