1. [email protected] : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. [email protected] : admin : admin
  3. [email protected] : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  4. [email protected] : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  5. [email protected] : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  6. [email protected] : Imran Khan : Imran Khan
  7. [email protected] : Jannatul Ferdous : Jannatul Ferdous
  8. [email protected] : Juwel Rana : Juwel Rana
  9. [email protected] : K M Khalid Shifullah : K M Khalid Shifullah
  10. [email protected] : Md. Mahbubur Rahman : Md. Mahbubur Rahman
  11. [email protected] : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  12. [email protected] : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  13. [email protected] : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  14. [email protected] : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  15. [email protected] : Md. Rakibul Islam : Md. Rakibul Islam
  16. [email protected] : Rasel Mia : Rasel Mia
  17. [email protected] : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  18. [email protected] : Md. Sabbir Ahamed : Md. Sabbir Ahamed
  19. [email protected] : Abdus Salam : Abdus Salam
  20. [email protected] : Shariful Islam : Shariful Islam
  21. [email protected] : BN Support : BN Support
  22. [email protected] : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  23. [email protected] : Aftab Wafy : Aftab Wafy
বসনিয়া থেকে যেখানে গেলেন শত শত বাংলাদেশী - BDTone24.com
বৃহস্পতিবার, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২২ ইং, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বাংলা

বসনিয়া থেকে যেখানে গেলেন শত শত বাংলাদেশী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
সংগৃহীত ছবি: বসনিয়ার ভেলিকা ক্লাদুসায় দুই বাংলাদেশি অভিবাসীর সাথে কথা বলছেন ডয়চে ভেলের আরাফাতুল ইসলাম

বসনিয়ার ক্রোয়েশিয়া সীমান্ত সংলগ্ন ভেলিকা ক্লাদুসার জঙ্গল, সেখানকার মিরাল ক্যাম্প ও আশেপাশের পরিত্যাক্ত ভবনে দেড় বছর আগে প্রায় ছয় শ’ বাংলাদেশিসহ অনেক অভিবাসী ছিলেন৷ সে জায়গাটিতে এখন আর কেউ নেই৷ বছর দেড়েকের মধ্যে কোথায় গেলেন এই অভিবাসীরা?

গত কয়েক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে হাজার হাজার বাংলাদেশী ইউরোপে পৌঁছার চেষ্টা করছেন৷ অভিবাসন বিষয়ে ইউরোপের সংবাদমাধ্যম ইনফোমাইগ্রেন্টস-এর তথ্যমতে, গত বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের প্রথম ছয় মাসে অবৈধপথে ইউরোপে পাড়ি জমানো অভিবাসীদের শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশীরা৷

এসকল অভিবাসীর একটি বড় অংশই ইতালি পৌঁছার চেষ্টা করে থাকে৷ ইউরোপের বহিঃসীমান্তরক্ষী সংস্থা ফ্রনটেক্স-এর এই হিসাবে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে অবৈধভাবে ইতালি প্রবেশের তালিকায় বাংলাদেশীরা রয়েছেন দ্বিতীয় অবস্থানে৷

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে পৌঁছার লক্ষ্যে পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অস্থায়ী ক্যাম্পে আটকে আছেন এমন অনেক বাংলাদেশী৷ সেখানকার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে বসনিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন ডয়চে ভেলে বাংলার সাংবাদিক আরাফাতুল ইসলাম ও অনুপম দেব কানুনজ্ঞ৷

তারই অংশ হিসেবে বসনিয়ার সীমান্ত-সংলগ্ন ভেলিকা ক্লাদুসার জঙ্গলটি পরিদর্শনে গেলে ডয়চে ভেলের সাংবাদিকদের সাথে দেখা হয় কয়েকজন বাংলাদেশীর৷

সেখানে থাকা বাংলাদেশিদের একজন আশরাফুজ্জামান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘ওরা তো সবাই চলে গেছে৷ ইতালি, ফ্রান্সে চলে গেছে৷ কেউ কেউ ট্যাক্সি গেমে, কেউ কেউ হেঁটে হেঁটে চলে গেছেন৷’

অভিবাসীদের ভাষায়, সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পছন্দমতো রাষ্ট্রে পৌঁছানোর নাম ‘গেম’৷ সীমান্ত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথ পাড়ি দেয়ে এভাবে অবৈধভাবে পৌঁছানোর পুরো প্রক্রিয়াটিকে তারা ‘গেম মারা’ বলে থাকেন৷

জানা গেছে, এমন ‘গেম মারতে’ গিয়ে তারা পাচারকারীদের সহায়তা নেন৷ কেউ কেউ আবার নিজের চেষ্টায়ই এমন ঝুঁকি নিয়ে থাকেন৷

জঙ্গলে আটক থাকা প্রায় ছয় শ’ বাংলাদেশীর মধ্যে আর মাত্র নয়জন আছেন জানিয়ে আশরাফুজ্জামান বলেন, তিনি নিজেও ‘৩০-৩৫ বার এমন গেম মারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন৷’

তাছাড়াও আটকে থাকা প্রায় ছয় শ’ বাংলাদেশীর মধ্যে ৩০-৩৫ জনের একটি দল এখনো বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে আছেন বলে জানা গেছে৷

যারা ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে পৌঁছেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ হয় কি না জানতে চাইলে আশরাফুজ্জামান বলেন, তাদের অনেকের সাথেই তার যোগাযোগ হয় এবং তারা ভালো আছেন৷

তবে তাদের অনেকেই দেশ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে না পারার কারণে ঝামেলায় আছেন বলে দাবি তার৷

কেন জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন তারা?

আট বছর ধরে ইউরোপে পৌঁছার চেষ্টা করছেন বাংলাদেশের রাজু৷ বর্তমানে আটকে আছেন বসনিয়াতে৷ ২০১৪ সালে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করে আড়াই বছর ওমানে থাকার পর চার বছর ইরানে কাটান৷

কেন আট বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ এমন চেষ্টা- জানতে চাইলে তিনি বলেন ‘টেকা পয়সা কম, আছে কষ্ট৷ তারপর ফ্যামিলিরে দিলেও হয় না, নিজেরও হয় না৷ এ কারণে এই পথে রওনা দিছি৷’

এত কষ্ট করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপে পৌঁছার চেষ্টা করার কী দরকার- এমন প্রশ্নের জবাবে রাজু বলেন, ‘ফ্যামিলিকে সুখে রাখতে গিয়ে কষ্ট করা লাগে৷ বাংলাদেশে তো কাজ নাই যে তাদেরকে কাজ করে খাওয়াব৷ এ কারণেই এই পথে আসা৷’

আর আশরাফুজ্জামান জানান, ২০১৮ সালে তিনি ইউরোপের পথে যাত্রা শুরু করেন৷ যাত্রাপথের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, প্রায় প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করে তিনি বসনিয়া এসেছেন৷ চার বছর আগে যাত্রা শুরু করে তিনি ওমান থেকে ইরান হয়ে তুরস্কে পৌঁছান৷ তুরস্ক থেকে গ্রিস হয়ে সার্বিয়া এবং সবশেষ তিনি বসনিয়া এসে পৌঁছান৷

কেন জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি ব্যবস্থা ভালো হতো তাহলে তো আসা লাগত না৷ মাস্টার্স পাশ করেও কাজ পাওয়া যায় না৷ তরুণেরা নিজে ঠিকে থাকবে বা ফ্যামিলিকে ঠিক রাখবে সেই ব্যবস্থা নেই৷’

নিজে ‘গেম মারতে’ শিখে গেছেন

ইতালি পৌঁছার লক্ষ্যে আশরাফুজ্জামান বসনিয়া থেকে প্রায় দেড় বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷ প্রথম দিকে দালালদের সহায়তায় গেম মারার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন৷ একপর্যায়ে নিজেই গেম মারতে শুরু করেন বলে জানান তিনি

‘ইতালিতে পৌঁছার লক্ষ্যে বসনিয়া থেকে দালালদের সহায়তায় ১০ – ১৫ বার গেম মারার চেষ্টা করেছি৷ যাইতে যাইতে শিখে গেছি কিভাবে যাইতে হয়৷ মোবাইলে লোকেশন দেখে হেঁটে হেঁটে চলে যাই৷’

তবে ‘গেম মারতে’ গিয়ে বার বারই স্লোভেনিয়াতে আটকে গেছেন তিনি৷ যে কারণে এত বার চেষ্টার পরও ইতালি পৌঁছাতে পারছেন না৷

‘আমি বেশিরভাগই স্লোভেনিয়াতে ধরা খাইছি৷ স্লোভেনিয়াতে গাড়িতে উঠতে গিয়ে, গাড়িতে উঠার আগেই পুলিশ এসে, আবার কুকুর এসে ধরে ফেলছে৷’

জানা গেছে, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া পুলিশ সীমান্ত পাহারায় তৎপর রয়েছে৷ পুলিশের হাতে ধরা পড়লে নানা ধরনের নির্যাতনের মুখেও পড়তে হয় বলে দাবি অভিবাসীদের৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade

বিজ্ঞাপন

ris-ads
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর: আবেদনকৃত । © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247