1. abdullah.nwu@gmail.com : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. mr.sasumon@gmail.com : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  3. mohammadanascseiiuc@gmail.com : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  4. rabiulazam14@gmail.com : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  5. admin@bdtone24.com : Bengali Support : Bengali Support
  6. imrank7006@gmail.com : Imran Khan : Imran Khan
  7. juwel.rana5526@gmail.com : Md. Juwel Rana : Md. Juwel Rana
  8. meem17@gmail.com : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  9. mijantex01199n@gmail.com : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  10. mohoshinreza.cs@gmail.com : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  11. atmnomanchowdhury@gmail.com : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  12. rasel.mia@uap-bd.edu : Rasel Mia : Rasel Mia
  13. rayhan818@gmail.com : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  14. masazad1996@gmail.com : Abdus Salam : Abdus Salam
  15. islamshariful721@gmail.com : Shariful Islam : Shariful Islam
  16. suraiyanasrin9@gmail.com : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  17. aftabwafy@gmail.com : Aftab Wafy : Aftab Wafy
দেশে আবারো করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি - BDTone24.com
রবিবার, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২১ ইং, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮ বাংলা

দেশে আবারো করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি

মোঃ ইমরান খান
  • সময় রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
দেশে করোনা

দেশে মাঝে কিছুদিন করোনাভাইরাস সংক্রমণ কমলেও গত এক সপ্তাহে মধ্যে তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পাশাপাশি বেড়েছে মৃত্যুর হার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, এক সপ্তাহের ব্যবধানে শনাক্তের হার বেড়েছে ২৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার বেড়েছে ২৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

এ বছর মহামারীর ২১তম সপ্তাহে (২৩-২৯ মে) সারা দেশে নমুনা পরীক্ষা হয় এক লাখ ৯ হাজার ৬৫১টি। তাদের মধ্যে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মোট নয় হাজার ৬৬০ জন এবং ওই সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ২০১ জনের।

পরে ২২তম সপ্তাহে অর্থাৎ, ৩০ মে থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট এক লাখ ১৯ হাজার ২০২টি নমুনা পরীক্ষা মোট ১১ হাজার ৯২৮ জন রোগী শনাক্ত করা হয়। এ সময়ে সারাদেশে মারা গেছেন মোট ২৫২ জন।

এর আগে ২০তম সপ্তাহে (১৬-২২ মে) ১৯তম সপ্তাহের (৯-১৫ মে) চেয়ে সংক্রমণ বাড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে সে সময় মৃত্যুহার কমে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। মূলত ঈদের আগে পরীক্ষা কমে যাওয়ায় শনাক্ত কমে গিয়েছিল।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আইদেশি মিলে মধ্য মে থেকে যেসব করোনাভাইরাসের জেনোম সিকোয়েন্স করেছে, তার ৮০ শতাংশেই মিলেছে এ ভাইরাসের ভারতে পাওয়া ধরনটি, যার নাম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দিয়েছে ‘ডেলটা’।

ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাতেও করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ওই ধরনটি পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর মনে করছে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের ‘ডেলটা’ ধরনটির সামাজিক বিস্তার বা কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটেছে, যা উদ্বেগজনক।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে পাওয়া করোনাভাইরাসের ধরনটিতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাংলাদেশে বাড়তে থাকার মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সংক্রমণের এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।

আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “সীমান্ত ব্যবস্থাপনার কারণে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার একটু ধীরে হলেও সেটি বাড়ছে। সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে নেপালের মত আরও বাড়তে পারত।”

“তবে সংক্রমণের হার যে বাড়ছে, সেটি শুধু সীমান্ত এলাকাতেই না, দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় হচ্ছে। কোনো কোনো জেলায় এখনও কম আছে, কিন্তু গড় হিসাব করলে দেখা যাবে সেটির হার ১০ এর উপরে।”

এমন পরিস্থিতিতে কোয়ারেন্টিন ও জেলাভিত্তিক কঠোর লকডাউনের পরামর্শ এসেছে বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে।

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | এই ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247