1. [email protected] : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. [email protected] : admin : admin
  3. [email protected] : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  4. [email protected] : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  5. [email protected] : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  6. [email protected] : Imran Khan : Imran Khan
  7. [email protected] : Juwel Rana : Juwel Rana
  8. [email protected] : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  9. [email protected] : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  10. [email protected] : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  11. [email protected] : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  12. [email protected] : Md. Rakibul Islam : Md. Rakibul Islam
  13. [email protected] : Rasel Mia : Rasel Mia
  14. [email protected] : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  15. [email protected] : Abdus Salam : Abdus Salam
  16. [email protected] : Shariful Islam : Shariful Islam
  17. [email protected] : BN Support : BN Support
  18. [email protected] : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  19. [email protected] : Aftab Wafy : Aftab Wafy
তাজউদ্দীন আহমদের ৯৬তম জন্মদিন আজ - BDTone24.com
রবিবার, ০৪:১৯ অপরাহ্ন, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং, ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বাংলা

তাজউদ্দীন আহমদের ৯৬তম জন্মদিন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
তাজউদ্দীন আহমদের ৯৬তম জন্মদিন আজ

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, শহীদ জননেতা তাজউদ্দীন আহমদের ৯৬তম জন্মদিন আজ। ১৯২৫ সালের ২৩ জুলাই গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দরদরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এ নেতা। তার বাবা মৌলভী মো. ইয়াসিন খান এবং মা মেহেরুননেসা খান। ৪ ভাই, ৬ বোনের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন তাজউদ্দীন।

আজীবন সংগ্রামী রাজনীতিবিদ ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম মহানায়ক। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি করতেন তিনি।

১৯৪৩ সালে মুসলিম লীগের রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হওয়ার পরের বছরই ১৯৪৪ সালে তিনি বঙ্গীয় মুসলিম লীগের কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি গঠিত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের (বর্তমানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তাজউদ্দিন।

পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ১৯৫১ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত এ সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ছিলেন। পরে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯৫০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএ (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি ভাষা আন্দোলনকালে গ্রেফতার হন এবং নির্যাতন ভোগ করেন। ১৯৬৪ সালে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে কারাগারে থাকা অবস্থায় এলএলবি পাস করেন।

১৯৬৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৯৬৬ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ভারতে যান এবং প্রবাসী সরকার গঠনের চিন্তা করেন তাজউদ্দীন। ৪ এপ্রিল দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাজউদ্দীনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়। ১০ এপ্রিল তিনি আগরতলায় সরকার গঠন করার উদ্যোগ নেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধকে সফল সমাপ্তির দিকে নিয়ে যেতে তার অসামান্য অবদান ছিল। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেও দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করার পর বন্দি করা হয় তাজউদ্দীন আহমদকে। এরপর ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে অপর ৩ জাতীয় নেতার সঙ্গে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন দেশ গড়ার এ অন্যতম স্থপতি বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ।

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর : আবেদনকৃত । © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247