1. [email protected] : Md. Abdullah Al Mamun : Md. Abdullah Al Mamun
  2. [email protected] : admin : admin
  3. [email protected] : Shamsul Akram : Shamsul Akram
  4. [email protected] : Mohammad Anas : Mohammad Anas
  5. [email protected] : Rabiul Azam : Rabiul Azam
  6. [email protected] : Imran Khan : Imran Khan
  7. [email protected] : Juwel Rana : Juwel Rana
  8. [email protected] : Shoyaib Forhad : Shoyaib Forhad
  9. [email protected] : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  10. [email protected] : Mohoshin Reza : Mohoshin Reza
  11. [email protected] : Noman Chowdhury : Noman Chowdhury
  12. [email protected] : Md. Rakibul Islam : Md. Rakibul Islam
  13. [email protected] : Rasel Mia : Rasel Mia
  14. [email protected] : Rayhan Hossain : Rayhan Hossain
  15. [email protected] : Abdus Salam : Abdus Salam
  16. [email protected] : Shariful Islam : Shariful Islam
  17. [email protected] : BN Support : BN Support
  18. [email protected] : Suraiya Nasrin : Suraiya Nasrin
  19. [email protected] : Aftab Wafy : Aftab Wafy
রূপে-গুণে অনন্য টাঙ্গুয়ার হাওর - BDTone24.com
রবিবার, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ইং, ৪ আশ্বিন ১৪২৮ বাংলা

রূপে-গুণে অনন্য টাঙ্গুয়ার হাওর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সময় শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১
Tanguar Haor

সুনামগঞ্জকে বলা হয় ‘হাওরকন্যা’।  এটি দেশের অন্যতম সুন্দর ও জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সম্ভাবনাময় একটি জলাভূমি। টাঙ্গুয়ার হাওর আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’। প্রথমটি সুন্দরবন।
সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপর ও ধরমপাশা উপজেলায় এই হাওরের অবস্থান। ২টি উপজেলার ৪ ইউনিয়নের ১৮টি মৌজা মিলে হাওরের আয়তন ১২ হাজার ৬৫৫ হেক্টর। হাওরে ছোট বড় ১০৯টি বিল আছে। তবে প্রধান বিল ৫৪টি। হাওরের ভেতরে জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য খাল ও নালা। বর্ষায় সব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তখন হাওর রূপ নেয় সমুদ্রে। হাওর এলাকার ৮৮টি গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষ হাওরের ওপর নির্ভরশীল। হাওরের উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড়। এই পাহাড় থেকে ৩৮টি ঝরনা নেমে এসে মিশেছে টাঙ্গুয়ার হাওরে।

টাঙ্গুয়ার হাওর কখন যাবেন এবং যা দেখবেন: বর্ষাকাল টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। বছরের অন্য সময় সাধারণত এর পানি অনেক কম থাকে। তবে পাখি দেখতে চাইলে শীতকালেই যেতে হবে আপনাকে। টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের সাথে আরো যা দেখতে পারেন ছোট-ছোট সোয়াম্প ফরেস্ট, শহীদ সিরাজ লেক (নিলাদ্রি লেক), বারিক টিলা, যাদুকাটা নদী, লাউড়ের গড়, অপরূপ সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত।

টাঙ্গুয়ার হাওর কীভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জ : প্রতিদিন ঢাকার সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে মামুন ও শ্যামলী পরিবহণের বাস সরাসরি সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এবং মহাখালী থেকে ছেড়ে যায় এনা পরিবহণের বাস। আর সুনামগঞ্জ পৌঁছাতে প্রায় ছয় ঘন্টা সময় লাগে।

খবরটি শেয়ার করুন। শেয়ার অপশন না পেলে ব্রাউজারের এডব্লকার বন্ধ করুন।

এই ধরনের আরো খবর
sadeaholade
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর : আবেদনকৃত । © ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । ওয়েবসাইটের কোন কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ।
themesbazarbdtone247